হুতি হামলা মোকাবিলায় সৌদি আরবকে গোয়েন্দা সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে ইসরায়েল ও সৌদি আরবের মধ্যে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম দ্য জেরুজালেম পোস্ট।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকমের মধ্যস্থতায় এই আলোচনা হয়েছে। উদ্দেশ্য ছিল হুতিদের সামরিক মোতায়েন, সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্য এবং পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে সৌদি আরবকে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা।
জেরুজালেম পোস্ট জানিয়েছে, সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে সেন্টকম প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারের বৈঠকের পর এই যোগাযোগ আরও এগোয়। সৌদি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমও দুই পক্ষের বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হওয়ার তথ্য জানিয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ইরান-সমর্থিত হুতিরা সৌদি ভূখণ্ড ও জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বাড়িয়েছে। তেল পাইপলাইন, পাম্পিং স্থাপনা এবং সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোও হামলার লক্ষ্য হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে সৌদি আরব হুতি হুমকি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছেও বাড়তি সামরিক ও গোয়েন্দা সহায়তা চেয়েছে। জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন সরাসরি যুদ্ধে না জড়িয়ে গোয়েন্দা ও টার্গেটিং সহায়তা দেওয়ার পথে রয়েছে।
পাকিস্তানও সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যুক্ত। তবে ইসলামাবাদ জানিয়েছে, হুতি হামলার জবাবে তাৎক্ষণিক সামরিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, চুক্তি কার্যকর থাকলেও সরাসরি সামরিক জবাব নিয়ে আলোচনা হয়নি।
য়েছে। ফলে সৌদি আরবের ওপর হামলা বাড়লে এই চুক্তি কার্যকর হওয়ার প্রশ্ন সামনে আসতে পারে।
সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও ইরান ও হুতি হুমকিকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছে। তবে এই যোগাযোগ এখনো পূর্ণাঙ্গ সামরিক জোট বা আনুষ্ঠানিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে রূপ নেয়নি।
সূত্র: রয়টার্স
