বিরোধের কেন্দ্রে রয়েছে ১৫ বিলিয়ন শেকেল, যা প্রায় ৪ দশমিক ৯২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ। ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর দাবি, এই অর্থ তাদের বাজেটে স্থানান্তর করার কথা ছিল এবং চলমান সামরিক কার্যক্রম ও প্রস্তুতি ধরে রাখতে তা জরুরি। 

অন্যদিকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, অর্থটি তাৎক্ষণিক সামরিক প্রয়োজনের জন্য নয়। তাদের দাবি, অনুমোদন ছাড়াই তৈরি হওয়া পুরোনো দায় ও ঋণ পরিশোধের জন্য এই অর্থ চাওয়া হচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয় আরও সতর্ক করেছে, অতিরিক্ত অর্থায়নের উৎস না থাকলে কর বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে। 

চ্যানেল ১৩ জানিয়েছে, বাজেট সংকটের সরাসরি প্রভাবে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র কেনা বন্ধ করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অবস্থানের কঠোর সমালোচনাও করা হয়েছে। 

আনাদোলু এজেন্সিও ইসরাইলি গণমাধ্যমের বরাতে জানিয়েছে, প্রতিরক্ষা ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের এই বিরোধ এখন সামরিক কেনাকাটায় বাস্তব প্রভাব ফেলছে। 

বাজেট সংকটের প্রভাব শুধু ক্ষেপণাস্ত্রেই সীমাবদ্ধ নয়। আলাদা এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পর্যাপ্ত অর্থ ছাড় না হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং থেকে ১২টি অ্যাপাচি অ্যাটাক হেলিকপ্টার কেনার নির্ধারিত উৎপাদন স্লটও হারিয়েছে ইসরাইল। এতে সরবরাহ কয়েক বছর পিছিয়ে যেতে পারে।

ইসরাইলি সামরিক বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত বাজেটের দাবি জানিয়ে আসছে। গত আগস্টের শেষ দিকে সেনাপ্রধান আইয়াল জামিরও অর্থ সংকট নিয়ে প্রকাশ্যে উদ্বেগ জানান এবং বলেন, সামরিক বাহিনীকে একই সঙ্গে নিরাপত্তা ও বাজেট, দুই ক্ষেত্রেই লড়াই করতে হচ্ছে। 

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি