জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং প্রয়োজনীয় কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে নিউইয়র্কে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জাতিসংঘের আয়োজক দেশ হিসেবে ১৯৪৭ সালের ইউএন হেডকোয়ার্টার্স অ্যাগ্রিমেন্টের বাধ্যবাধকতা মেনেই ইরানের মূল প্রতিনিধি দলকে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। তবে প্রতিনিধি দলের আকার আগের তুলনায় ছোট থাকবে এবং তাদের চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ থাকবে। ইরানি প্রতিনিধিদের বিলাসবহুল পণ্য কেনার ওপরও নিষেধাজ্ঞা থাকবে। যুক্তরাষ্ট্র এর আগেও ইরানি কূটনীতিকদের চলাচল জাতিসংঘ সদর দপ্তর ও নির্দিষ্ট কয়েকটি এলাকায় সীমিত রেখেছে। আগামী সপ্তাহে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশন শুরু হবে। এবারের আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ, ইউক্রেন, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংকট, সুদান ও জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পাবে। অন্যদিকে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে টানা দ্বিতীয় বছরের মতো ভিসা দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র। পরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ তাকে ভিডিওবার্তার মাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে। এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব ১৫২-৩ ভোটে পাস হয়, চারটি দেশ ভোটদানে বিরত ছিল। যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ও পিএলওর কিছু পদক্ষেপের কারণে এই ভিসা নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হয়েছে। ফিলিস্তিনি নেতৃত্ব সিদ্ধান্তটির সমালোচনা করেছে। 

সূত্র: রয়টার্স